
দিনের শুরুটা যদি আল্লাহর স্মরণে হয়, তাহলে সেই দিনটিতে বরকত ও প্রশান্তি নেমে আসে। ইসলামি নির্দেশনা অনুযায়ী ফজরের পর থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত সময় জিকির ও দোয়ায় কাটানো অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ। এতে বান্দা সারাদিন আল্লাহর আশ্রয়ে থাকতে পারে এবং নানা অকল্যাণ থেকে নিরাপদ থাকে।"
হাদিসে বর্ণিত আছে, সকালে আয়াতুল কুরসি পাঠ করলে বিকেল পর্যন্ত জিন ও শয়তানের অনিষ্ট থেকে আল্লাহ তায়ালা হেফাজত করেন। একইভাবে বিকেলে পাঠ করলে পরদিন সকাল পর্যন্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।
এ ছাড়া রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সকাল ও সন্ধ্যায় সুরা ইখলাস, সুরা ফালাক ও সুরা নাস তিনবার করে পড়ার কথা বলেছেন। তিনি জানান, এই তিনটি সুরাই বান্দার জন্য যথেষ্ট হয়ে যায়।
প্রতিদিন কমপক্ষে একশবার ‘আস্তাগফিরুল্লাহ ওয়া আতুবু ইলাইহি’ পাঠ করার মাধ্যমে বান্দা আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে এবং নিজের গুনাহ থেকে ফিরে আসে। এটি নবিজির নিয়মিত আমল ছিল।
ফজরের নামাজ শেষে পড়ার জন্য বিশেষ একটি দোয়াও হাদিসে এসেছে। এতে উপকারী জ্ঞান, হালাল রিজিক এবং কবুলযোগ্য আমল প্রার্থনা করা হয়। এই দোয়াটি দিনের কাজে বরকত এনে দেয়।"
সকালবেলায় দশবার পাঠ করার জন্য একটি জিকির রয়েছে, যেখানে আল্লাহর একত্ব, ক্ষমতা ও প্রশংসা স্বীকার করা হয়। হাদিসে বর্ণিত আছে, এই জিকির পাঠকারীর জন্য তা বিশেষ সওয়াবের কারণ হয়।
ভোরের সময় পড়ার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দোয়ায় শরীর, শ্রবণশক্তি ও দৃষ্টিশক্তির নিরাপত্তা চাওয়া হয়। একই সঙ্গে কুফরি, দারিদ্র্য এবং কবরের আজাব থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করা হয়। এটি তিনবার পাঠ করার কথা এসেছে।
এ ছাড়া ‘হাসবিয়াল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়া’ দোয়াটি সকাল ও বিকেলে সাতবার করে পাঠ করলে আল্লাহ তায়ালা বান্দার দুনিয়া ও আখিরাতের সব চিন্তার জন্য যথেষ্ট হয়ে যান বলে হাদিসে উল্লেখ রয়েছে।"
আলেমরা বলেন, এসব দোয়া ও জিকির নিয়মিত আমলে পরিণত করলে ঈমান মজবুত হয়, অন্তর প্রশান্ত থাকে এবং জীবন পরিচালনায় আল্লাহর সাহায্য সহজ হয়ে আসে।#bl
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: রেল রোড, বাগেরহাট।
ইমেইল: press24masum@gmail.com
মোবাইল: 01834112222
All rights reserved ©2026 daily Uttal.com