
সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজাকে ঘিরে ইরানজুড়ে তৈরি হয়েছে গভীর শোকের আবহ। অর্থনৈতিক সংকট, সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং বহিরাগত চাপের মধ্যে এই বিদায় অনুষ্ঠান জাতীয় ঐক্য পুনর্গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।
ইরানের রাজধানী তেহরানসহ দেশের বিভিন্ন বড় শহরে খামেনির শেষ বিদায়ে লাখো মানুষের সমাগম হবে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ। শোকানুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। রাষ্ট্রীয়ভাবে আয়োজিত এ কর্মসূচিকে সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বৃহৎ জনসমাবেশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর মিডল ইস্ট স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ-এর সিনিয়র রিসার্চ ফেলো আব্বাস আসলানি মনে করেন, এই জানাজা শুধু একটি রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠান নয়, বরং এটি ইরানের রাজনৈতিক ও কৌশলগত অবস্থানেরও প্রতীক। আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, বিশ্বের দুটি শক্তিশালী সামরিক শক্তির বিরুদ্ধে ইরানের প্রতিরক্ষা কৌশলের অন্যতম রূপকারকে বিদায় জানাতে নজিরবিহীন আয়োজন করা হয়েছে।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, এমন এক সময়ে এই শোকানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হচ্ছে যখন একদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে জটিল কূটনৈতিক প্রক্রিয়া চলছে, অন্যদিকে যুদ্ধের আশঙ্কাও ঘনীভূত। ফলে জাতীয় সংকটের এই সময়ে জনগণকে একই প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসতে এবং অভ্যন্তরীণ সংহতি জোরদারে এই আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।"
বিশ্লেষকদের মতে, খামেনির বিদায়কে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া জনসমর্থন ও আবেগ ইরানের রাজনৈতিক নেতৃত্বের জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করছে। একই সঙ্গে এটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও দেশটির অভ্যন্তরীণ ঐক্য ও অবস্থান তুলে ধরার একটি সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সুত্র: আল-জাজিরা#bL
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: রেল রোড, বাগেরহাট।
ইমেইল: press24masum@gmail.com
মোবাইল: 01834112222
All rights reserved ©2026 daily Uttal.com