
সুন্দরবনে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ১৪টি আগ্নেয়াস্ত্র, ২৭৪ রাউন্ড তাজা গুলি, ০৭টি ওয়াকিটকি ও ০৬টি বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট উদ্ধার করেছে এসআরবি-৬, স্পেশাল কোম্পানি
ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন বাংলাদেশের অমূল্য প্রাকৃতিক সম্পদ সুন্দরবনকে নিরাপদ ও জলদস্যুমুক্ত রাখতে এসআরবি ফোর্সেস নিরলসভাবে অভিযান পরিচালনা করে আসছে। দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত এই সুন্দরবনের উপর জেলে, বাওয়ালি, মৌয়ালসহ ২৫ লক্ষ মানুষ জীবিকা নির্বাহের জন্য সরাসরি নির্ভরশীল। তবে দীর্ঘদিন ধরে এই অঞ্চলে জলদস্যু ও বনদস্যুদের অপহরণ ও মুক্তিপন আদায় এবং অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকান্ড বনজীবি ও স্থানীয়দের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছিল। সোমবার (১২ অক্টোবর) এসআরবি-৬-এর সদর দপ্তর থেকে জানান বাহিনীটির উপ-অধিনায়ক মেজর মো. নাজমুল ইসলাম।
দস্যুতা নির্মূলে এসআরবি-৬, কোস্ট গার্ড, নৌ-পুলিশ, বন বিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বয়ে পরিচালিত হচ্ছে বিশেষ অভিযান। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৯ অক্টোবর দ্বিতীয় দফায় সুন্দরবনে সক্রিয় "আলিফ বাহিনীর" দুটি গ্রুপের মোট ১৫ জন সদস্য এসআরবি-৬ এর কাছে আত্মসমর্পণ করে।
এসআরবি ফোর্সেস গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় গত তিন দিন ধরে অভিযান চালিয়ে ১টি বিদেশি শটগান ২। ৪টি দুনলা বন্দুক ৩। ৯টি ওয়ান শুটারগান, ৪। ২৭৪ রাউন্ড তাজা গুলি ও ২৩টি খালি কার্তুজ, ৫। ৭টি ওয়াকিটকি সেট, ৬। ৬টি বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট উদ্ধার করে।
সুন্দরবনে সক্রিয় জলদস্যুরা, যারা এখনো আত্মসমর্পণ করেনি, তাদের দস্যুতার পথ ছেড়ে আলোর পথে ফিরে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে। আত্মসমর্পণ করলে সর্বোচ্চ সহযোগিতার পাশাপাশি সুন্দরবনে দস্যুতার অপরাধ অব্যাহত রাখলে কঠোরতম আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে এসআরবি-৬।
সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত রাখতে এবং উপকূলীয় অঞ্চলের মেহনতি মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমাদের জিরো টলারেন্স (Zero Tolerance) নীতি অব্যাহত থাকবে। সুন্দরবনের নিরাপত্তা, বনজীবীদের জীবন ও জীবিকার সুরক্ষা এবং দেশের অমূল্য প্রাকৃতিক সম্পদ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে এসআরবি-৬ সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।#
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: রেল রোড, বাগেরহাট।
ইমেইল: press24masum@gmail.com
মোবাইল: 01834112222
All rights reserved ©2026 daily Uttal.com