
গাজীপুরের কালীগঞ্জে ট্রাকের ধাক্কায় পুলিশের এক উপপরিদর্শক (এসআই) ও স্থানীয় এক বিএনপি নেতার মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলার প্রধান আসামি ট্রাকচালক মাজহারুল ইসলামকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছেন বরিশাল এসআরবি-৮-এর সদস্যরা।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে বরিশাল এসআরবি-৮-এর সহকারী পুলিশ সুপার ও মিডিয়া অফিসার সাথী আক্তার গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সূত্র জানায়, ঘটনার পর থেকে মাজহারুল ইসলাম আত্মগোপনে ছিলেন। এসআরবি-৮-এর গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বরিশাল এসআরবি-৮ ও এসআরবি-১-এর সিপিসি-৩ যৌথ অভিযান চালায়। ২৯ অক্টোবর দিবাগত রাতে পিরোজপুরের ইন্দুরকানী থানার চারাখালী এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নিতে তাঁকে ইন্দুরকানী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ অক্টোবর কালীগঞ্জ থানার এসআই মো. মিজানুর রহমান, পিএসআই জাবেদ ওমর, কনস্টেবল আনোয়ার হোসেন ও কনস্টেবল ফজলে রাব্বি রাতের রণপাহারা ডিউটি পালনকালে তিনজন আসামিকে নিয়ে থানায় ফিরছিলেন।
রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে কালীগঞ্জ শ্রমিক কলেজের মূল ফটকের পশ্চিম পাশে টঙ্গী-ঘোড়াশাল মহাসড়কে চোর সন্দেহে দুজনকে তল্লাশি করা হচ্ছিল। এ সময় কালীগঞ্জ পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম মোল্লা (৪৫) ঘটনাস্থলে এসে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে কথা বলতে শুরু করেন।”
এজাহারে বলা হয়েছে, রাত আনুমানিক সাড়ে তিনটার দিকে টঙ্গী থেকে ঘোড়াশালগামী দ্রুত ও বেপরোয়া গতির একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণহীনভাবে পুলিশ সদস্য ও বিএনপি নেতাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে পিএসআই জাবেদ ওমর ও কনস্টেবল ফজলে রাব্বি গুরুতর আহত হন। এরপর চালক রফিকুল ইসলাম মোল্লার ওপর দিয়ে ট্রাক চালিয়ে দিলে তিনি ঘটনাস্থলেই নিহত হন।”
এসআই মিজানুর রহমান ট্রাকটি আটকানোর চেষ্টা করলে চালক গতি বাড়িয়ে তাঁকে ট্রাকের সামনে ঝুলন্ত অবস্থায় প্রায় পাঁচ শ গজ টেনে নিয়ে ফেলে দিয়ে পালিয়ে যান বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দিন ভোর সাড়ে ছয়টার দিকে এসআই মিজানুর রহমান মারা যান।
এ ঘটনায় কনস্টেবল আনোয়ার হোসেন বাদী হয়ে কালীগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন।# bL
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: রেল রোড, বাগেরহাট।
ইমেইল: press24masum@gmail.com
মোবাইল: 01834112222
All rights reserved ©2026 daily Uttal.com