সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ০৩:১৫ পূর্বাহ্ন

কী বলে ইসলামি শরিয়ত:যে সম্পদের ওপর জাকাত ফরজ

উত্তাল ডেস্ক: / ৩৩ টাইম ভিউ
আপডেট সময়: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬

ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক ইবাদত জাকাত। রমজান মাসে অনেক মুসলমানই জাকাত আদায় করে থাকেন। তবে সব ধরনের সম্পদের ওপর জাকাত ফরজ হয় না- নির্দিষ্ট কিছু সম্পদের ওপরই এটি বাধ্যতামূলক।”

ইসলামি বিধান অনুযায়ী সোনা-রুপা, নগদ অর্থ, নির্দিষ্ট নিয়মে পালিত গবাদিপশু এবং ব্যবসার পণ্যের ওপর জাকাত ফরজ হয়।

সোনা-রুপার অলংকার ব্যবহার করা হোক বা না হোক, সব অবস্থাতেই তার জাকাত দিতে হবে। এ বিষয়ে হাদিসে সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। একইভাবে অলংকার ছাড়াও সোনা-রুপা দিয়ে তৈরি অন্য যেকোনো সামগ্রীর ওপরও জাকাত প্রযোজ্য।”

কোনো পোশাক বা জিনিসে সোনা-রুপার কারুকাজ থাকলেও সেই পরিমাণ সোনা-রুপা জাকাতের হিসাবের অন্তর্ভুক্ত হবে এবং অন্যান্য জাকাতযোগ্য সম্পদের সঙ্গে এর হিসাব করে জাকাত দিতে হবে।

তবে সোনা-রুপা ছাড়া অন্য ধাতুর অলংকারের ওপর জাকাত ফরজ নয়। এছাড়া হিরা, মণি-মুক্তা বা অন্যান্য মূল্যবান পাথরের ক্ষেত্রেও জাকাত বাধ্যতামূলক নয়, যদি না সেগুলো ব্যবসার পণ্য হিসেবে রাখা হয়।

মৌলিক প্রয়োজন মেটানোর পর যদি কারও কাছে নিসাব পরিমাণ নগদ অর্থ থাকে এবং তা এক বছর ধরে তার মালিকানায় থাকে, তাহলে সেই সম্পদের ওপর জাকাত আদায় করা ফরজ হয়।”

ব্যাংকে জমা টাকা, ফিক্সড ডিপোজিট, বন্ড বা বিভিন্ন সঞ্চয়পত্রও নগদ অর্থের মতোই গণ্য হবে এবং এসবের ওপরও জাকাত প্রযোজ্য।

টাকা ব্যবসায় ব্যবহার না করে জমা করে রাখলেও তাতে জাকাত দিতে হবে। একইভাবে হজ, বাড়ি নির্মাণ বা সন্তানদের বিয়ের উদ্দেশ্যে জমা রাখা অর্থও নিসাব পরিমাণ হলে এবং এক বছর অতিক্রম করলে জাকাতের আওতায় পড়বে।”

অন্যদিকে দোকান বা ব্যবসার উদ্দেশ্যে রাখা যেকোনো পণ্য- যেমন কাপড়, মুদি সামগ্রী, নির্মাণ সামগ্রী, গাড়ি, ফার্নিচার বা ইলেকট্রনিক পণ্য সবই বাণিজ্যিক সম্পদ হিসেবে গণ্য হবে। এসব পণ্যের মূল্য যদি নিসাব পরিমাণ হয়, তাহলে তার ওপর জাকাত আদায় করা বাধ্যতামূলক।#bl


এই বিভাগের আরও খবর