মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৩৮ পূর্বাহ্ন

৩২৪ প্রজাতির মাছের পোনা ধ্বংস করছে কাঠ বডি ট্রলিং:বন্ধের দাবিতে বাগেরহাটে মানববন্ধন

বাগেরহাট প্রতিনিধি: / ৭১
আপডেট সময়: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬


বঙ্গোপসাগরে অবৈধ কাঠ বডি ট্রলিং দিয়ে মাছ আহরণ বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন বাগেরহাটের জেলে ও ব্যবসায়ীরা। সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে জেলা ট্রলার মালিক ও জেলে পরিবারের ব্যানারে এই মানবন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, বগা মৎস্যজীবী ইব্রাহীম আমানী, জেলে আক্কাস আলী, সাইদুল মোল্লা, নজরুল ইসলাম, আশারেফ মোল্লা, মাছ ব্যবসায়ী হারুন মীর, আলামিন প্রমুখ।

জেলেদের দাবি, বঙ্গোপসাগরে যেসব কাঠবডি ট্রলিং জলযান মাছ আহরণ করে তাদের কোন অনুমোদন নাই। তারা অবৈধভাবেই মাছ ধরে। অনেক ছোট ফাঁসের জাল ব্যবহার করার কারণে সাগরের ছোট-বড় সব মাছ ওই জালে ওঠে। বিক্রির উপযোগী মাছ রেখে অবশিষ্ট মাছ তারা মেরে ফেলে। এই ট্রলিং জাহাজগুলো সাগরের ছোট বড় ৩২৪ প্রজাতির মাছের পোনা ধ্বংস করছে। ট্রলিংয়ের মাধ্যমে মাছ আহরণ এখনই বন্ধ না করলে কয়েক বছরের মধ্যে সাগর মাছ শূন্য হয়ে পড়বে। ইতোমধ্যে ইলিশের সংখ্যা কমেছে। যেসব স্থানে ট্রলিংয়ের মাছ বিক্রি হয় সেসব বাজারেও অভিযান চালানোর দাবি জানান জেলেরা। সমুদ্রগামী সাধারণ জেলেরা বড় ফাঁসের জাল দিয়ে ইলিশসহ অন্যান্য মাছ আহরণ করেন। কিন্তু প্রভাবশালী ট্রলিংয়ের মালিকরা ছোট ফাঁসের জাল দিলে মাছের বীজ থেকে শুরু করে সব ধরনের মাছ ধরে যার ফরে সমুদ্রে মাছের সংখ্যা কমছে প্রতিনিয়ত।

জেলে ও ব্যবসায়ীরা বলেন আমরা সাধারণ জেলেরা সরকারের নিষেধাজ্ঞা মেনে ইলিশ রক্ষায় সহযোগিতা করেছি। অথচ কিছু প্রভাবশালী ট্রলিং ট্রলার মালিক সাগরে অবৈধভাবে মাছ ধরছে, ইলিশের পোনা ধ্বংস করছে। এটা শুধু জেলেদের ক্ষতি নয়, জাতীয় সম্পদের ওপরও বড় হুমকি। জেলেরা আরও জানান, অবৈধ ট্রলিং বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে সমুদ্রে মৎস্য সম্পদ দ্রুত কমে যাবে, ফলে রাষ্ট্র রাজস্ব হারাবে এবং উপকূলের হাজারো জেলে পরিবার খাদ্য ও জীবিকার সংকটে পড়বে।


এই বিভাগের আরও খবর