বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ১১:৪৭ অপরাহ্ন

 অনিদ্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘটের ডাক,বাগেরহাটে ডাক বিভাগের ইডি কর্মচারীদের মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক: / ১৮ টাইম ভিউ
আপডেট সময়: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬



 বেতন ভাতা বৃদ্ধি ও  বিভাগীয় কর্মচারী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার দাবীতে বাগেরহাটে অনিদ্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে জেলা ইডি কর্মচারীবৃন্ধ। বুধবার দুপুরে বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সামনের রাস্তায় ও শহীদ মিনার এলাকায় পৃথক পৃথকভাবে মানববন্ধন করে এ ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন।  মানববন্ধন চলাকালে তাদের দাবী তুলে বক্তব্য রাখেন মোড়েলগঞ্জের ঢুলিগাতি শাখা পোষ্ট অফিসের  পোষ্ট মাস্টার জীবন কৃষ্ণ সরকার, কচুয়া গোপালপুর এলাকার প্রদীপ পাইক, গোটাপাড়ার আল মামুন, রামপাল পিপলবুনিয়া এলাকার সূর্য্যকান্ত হালদার ফকিরহাটের ইডি বোরহান উদ্দিন সরদারসহ নুশরাত নুরহান,হরিদাশ চন্দ্র রায়, নিমাই পদ দাশ,  ও ইমরান প্রমুখ। বক্তারা বলেন আমরা অবহেলিত ডাক কর্মচারী। নবাবী ভাষায় বলতে গেলে বলতে হয় বৃটিশ আমলের ডাক বিভাগ দুই ভাগে বিভক্ত হয়েছে।  বিভাগীয় কর্মচারী   আর অবিভাগীয় কর্মচারী। এই বিভাগীয় কর্মচারীরা তাদের অফিস থেকে প্রদত্ত সকল সুযোগ সুবিধা, যেমন: ইনক্রিমেন্ট, উৎসব বোনাস, পেনশন সব কিছুই তারা পেয়ে থাকেন। অপর পক্ষে আমরা অবিভাগীয় কর্মচারীরা বিংশ শতাব্দীর বর্বরতার  নির্মম স্বাক্ষী । সারা বাংলাদেশে আমাদের অবিভাগীয় কর্মচারীর সংখ্যা ২৩ হাজার ২১ জন। যাদের নাম মাত্র ভাতায়  কলুর বলদের মত খাটাচ্ছেন ডাকবিভাগ তথা ডাক মন্ত্রণালয়। এখানে না বললেই নয় একই কাজ করতে হয় আমাদের সবার কি বিভাগীয় আর কি অবিভাগীয়। চরম বৈষম্যের শিকার একজন অ-বিভাগীয় পোস্ট মাস্টার ভাতা পান ৪ হাজার ৪৬০ টাকা। একজন রানার পান ৪ হাজার ১৯০ টাকা। একজন পিয়ন পান ৪ হাজার ৩৫৪ টাকা। আর এদের নেই চাকরির কোন নিশ্চয়তা। ডাক বিভাগের সমস্ত অফিসার এদের প্রতি দয়াশীল  কিন্তু বাস্তবে তাদের রুপ ভিন্ন। একাধিকবার বেতন ভাতা বৃদ্ধি করার আশ্বাস দিলেও, তাল বাহানা করে কেড়ে নেওয়া হয়েছে নায্য অধিকার। কোন আন্দোলন করতে গেলে বিভাগীয় কর্মচারীরা বিভিন্ন ভয়-ভীতি দিয়ে আন্দোলন করতে দেয় নাই। কিন্তু এখন আর আটকাতে পারছে না । সারা বাংলাদেশের ন্যায় আমরা বাগেরহাটের ডাক বিভাগের অবিভাগীয় কর্মচারীরা দাবী মেনে নিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি। #az


এই বিভাগের আরও খবর