সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:০৯ অপরাহ্ন

বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ থাইল্যান্ডের বিএনএইচ হাসপাতালের

উত্তাল ডেস্ক: / ১৩৬ টাইম ভিউ
আপডেট সময়: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬

বাংলাদেশে স্বল্পখরচে উন্নতমানের স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ এবং চিকিৎসা খাতে অংশীদারিত্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যে আগ্রহ প্রকাশ করেছে থাইল্যান্ডের খ্যাতনামা বিএনএইচ হাসপাতাল (BNH Hospital), ব্যাংকক। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব (PPP) মডেলের আওতায় বাংলাদেশের রোগীদের থাইল্যান্ডমুখী চিকিৎসা নির্ভরতা কমিয়ে দেশে ও আঞ্চলিক পর্যায়ে উন্নত চিকিৎসা সুবিধা আরও সহজলভ্য করার পরিকল্পনা নিয়েই এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।”
“এ বিষয়ে আলোচনা ও মতবিনিময়ের অংশ হিসেবে হাসপাতালটির সহকারী পরিচালক মি. অ্যাপিচাই (Mr. Apichai)-এর নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল গত কাল (১৯ এপ্রিল) সকাল ৯টায় ঢাকার একটি স্থানীয় হোটেলে সাক্ষাৎ করেন। বাংলাদেশ সরকারের অবসরপ্রাপ্ত সচিব এবং সাবেক মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সাবেক প্রটোকল অফিসার ড. মো. ফরিদুল ইসলাম-এর সঙ্গে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।”
উক্ত প্রতিনিধি দলে আরও উপস্থিত ছিলেন স্পাইন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক মি. অর্থিত হংভেনিট (ARTHIT HONGVANIT, MD), ওভারসিজ মার্কেটিং ম্যানেজার মিস জেরিন্যা জিউজিন্দা (Miss Jarinya Jiwjinda) এবং এশিয়ান মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ মিস এনগুয়েন থাই হুয়াং গিয়াং (Miss Nguyen Thi Houng Giang)।”
সাক্ষাৎকালে ড. মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, দেশের স্বাস্থ্যখাতে যে কোনো অংশীদারিত্বমূলক উদ্যোগ যদি জনগণের কল্যাণে আসে এবং চিকিৎসাসেবার মান উন্নয়নে ভূমিকা রাখে, তবে বর্তমান সরকার তা ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, স্বাস্থ্যসেবাকে আরও সহজলভ্য, আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে বিদেশি অভিজ্ঞ প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।”
অন্যদিকে বিএনএইচ হাসপাতালের প্রতিনিধি দলের প্রধান মি. অ্যাপিচাই বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বিএনএইচ হাসপাতাল বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি রোগীকে চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছে। তাদের অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, বাংলাদেশি রোগীরা বিশেষ করে উন্নত চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডে বেশি নির্ভরশীল। এই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ ও মানোন্নয়নের সম্ভাবনা খুঁজতেই তাদের এই সফর।
তিনি আরও জানান, এই সফরের মূল উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশি রোগীদের চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রয়োজন, প্রত্যাশা এবং বর্তমান চ্যালেঞ্জগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা নেওয়া। পাশাপাশি বাংলাদেশে চিকিৎসাসেবার মান উন্নয়ন, চিকিৎসা প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং ভবিষ্যতে সম্ভাব্য অংশীদারিত্বমূলক কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ করা যায় কিনা—তা নির্ধারণ করা।
সাক্ষাৎটি অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয় এবং উভয় পক্ষই ভবিষ্যতে স্বাস্থ্যখাতে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


এই বিভাগের আরও খবর