কোরবানির ঈদ সামনে রেখে রাজধানীর মসলার বাজারে এবার তুলনামূলক স্থিতিশীল অবস্থা দেখা যাচ্ছে। অন্যান্য বছরের মতো দাম বাড়ার চাপ না থাকায় কিছুটা স্বস্তিতে রয়েছেন ক্রেতারা। বরং বেশ কয়েকটি মসলার দাম আগের তুলনায় কমেছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
ঈদকে কেন্দ্র করে সাধারণত মসলার চাহিদা বেড়ে যায়। তবে এবার খুচরা পর্যায়ে বিক্রি কম থাকায় পাইকারি বাজারেও চাহিদা কমেছে। এর প্রভাব পড়েছে দামে। রাজধানীর অন্যতম বড় পাইকারি বাজার মৌলভীবাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।”
ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে অবৈধ পথে আসা মসলার প্রবেশ বাড়ায় তারা কাঙ্ক্ষিত দাম পাচ্ছেন না। এতে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা ক্ষতির মুখে পড়ছেন। যদিও ক্রেতাদের জন্য বিষয়টি কিছুটা স্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
খুচরা বাজারে বিক্রি কমে যাওয়ায় পাইকারি ক্রেতাদের আনাগোনাও কমে গেছে। পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, এবারের ঈদকেন্দ্রিক বেচাকেনা আশানুরূপ নয়।
একজন ব্যবসায়ী বলেন, বাজার কম। এর মধ্যে আবার সেল নাই। মানুষ চাপের মধ্যে আছে। প্রায় ২৫-২৬ বছরের মসলা ব্যবসার জীবনে এতো ডাউন মার্কেট আগে দেখিনি। গত বছরের তুলনায় দামও কম।
তাদের অভিযোগ, ভারত থেকে অবৈধ পথে আসা মসলা বাজারে ছড়িয়ে পড়ায় ন্যায্য দাম পাওয়া যাচ্ছে না।
এক ব্যবসায়ী বলেন, ভারত থেকে ব্ল্যাক পথে অনেক পণ্য ঢুকছে, এগুলো বন্ধ করতে হবে। যে জিরা ৫৮০ টাকা কেজি কিনছে, একদিন পরই সেটি কমে ৫৬০ টাকা হয়ে গেছে।”
অন্যদিকে, দাম তুলনামূলক কম থাকায় স্বস্তিতে আছেন পাইকারি ক্রেতারা। তবে খুচরা পর্যায়ে বিক্রি কমে যাওয়ায় তারা কিছুটা বিপাকে পড়েছেন। খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, গত বছরের তুলনায় দাম খুব বেশি না বাড়লেও বাজারে ক্রেতার সংখ্যা কম।
একজন খুচরা ব্যবসায়ী বলেন, গত বছর ঈদের আগে মৌলভীবাজারের রাস্তা দিয়ে হাঁটা যেতো না মানুষের ভিড়ে। এবার কাস্টমার একেবারে কম, রাস্তা ফাঁকা।#bl