বাগেরহাটের রামপালে চাঞ্চল্যকর আহাদ হত্যা মামলার ২৪ ঘন্টার মধ্যে প্রধান দুই আসামিকে আটক করেছে এসআরবি-৬।
বাগেরহাটের রামপালের চাঞ্চল্যকর শেখ আহাদ হত্যা মামলার এজাহার নামীয় ১নং ও ২নং আসামিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করেছে এসআরবি-৬।
এসআরবি ফোর্সেস নিয়মিত মামলার আসামিসহ বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের গ্রেফতার, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারি গ্রেফতার এবং বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর হত্যা ও ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনয়নের ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে।
এসআরবি সূত্র জানায় এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাত ৩:৩০মিনিটের সময় এসআরবি-৬, সদর কোম্পানির একটি চৌকস আভিযানিক দল খুলনা জেলার ফুলতলা থানাধীন লারিপাড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বাগেরহাট থানার চাঞ্চল্যকর শেখ আহাদ আহমেদ ইতু (২৩) হত্যা মামলার এজাহার নামীয় ১নং ও ২নং আসামিকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন, বাকী বিল্লাহ শেখ (৪৭),মাসুম বিল্লাহ শেখ (৫২), উভয় পিতা: জাফর শেখ, সাং: কিসমত চণ্ডিতলা, থানা: রামপাল, জেলা: বাগেরহাট।
মামলার এজাহারে জানা যায়, মৎস্য ঘের ও বসত বাড়ির জায়গা-জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আসামি পক্ষের সাথে বাদী পক্ষের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ইং ধৃত আসামিদ্বয় সহ মামলার এজাহার নামীয় ও অজ্ঞাতনামা অন্যান্য আসামিরা রামপাল থানাধীন চণ্ডীতলা গ্রামস্থ বাদীর বসত বাড়ির সামনের ইটের সলিং রাস্তার উপর এসে বাদীর বাবার নাম উল্লেখ করে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে গালাগালি করলে বাদীর ছোট ভাই শেখ আহাদ আহমেদ ঘর থেকে বের হয়ে ইটের সলিং রাস্তার উপর পৌছমাত্র এলোপাতাড়ি শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে রক্তাক্ত ও গুরুতর আহত করে পালিয়ে যায়। স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় ভিকটিমকে রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ভিকটিমকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। উক্ত ঘটনায় ভিকটিমের ভাই শেখ রাহাত বাদী হয়ে রামপাল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আসামিদ্বয়কে বাগেরহাট জেলার রামপাল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনয়নের ক্ষেত্রে এসআরবি ফোর্সের অভিযান অব্যাহত আছে।#