শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৬ অপরাহ্ন

বাজারে শীতকালীন সবজির সরবরাহ বেড়েছে,তবুও দামে মিলছে না স্বস্তি

উত্তাল ডেস্ক: / ১৯
আপডেট সময়: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬

রাজধানীর বাজারে শীতকালীন সবজির সরবরাহ বাড়তে শুরু করেছে। তবে সরবরাহ বাড়লেও দামে স্বস্তি ফিরছে না। অধিকাংশ সবজি বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৬০ থেকে ৮০ টাকায়। মাছ ও মাংসের বাজারেও তেমন পরিবর্তন নেই।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর আগারগাঁও, শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া, মিরপুর ৬ ও মিরপুর ৬০ ফিট এলাকার বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।”
বাজারে উঠছে শিম, ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলাসহ বিভিন্ন সবজি। গত কয়েক দিনের তুলনায় দু-একটি সবজির দাম কেজিতে ১০ টাকা কমেছে। তবে অধিকাংশ পণ্যের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বেগুন ও টমেটোর মতো কিছু সবজির দাম আরও বেশি।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বাজারে প্রতি কেজি আলু ৩০ টাকা, পটল ৫০ টাকা, শিম ৮০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, ঝিঙা ৬০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, ঢেঁড়শ ৫০ টাকা, পেঁপে ২৫ টাকা, বেগুন ৮০ থেকে ১২০ টাকা এবং কাঁকরোল ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। টমেটোর কেজি ১২০ টাকা এবং রসুনের কেজি ১২০ থেকে ২০০ টাকা। প্রতি পিস ফুলকপি ও বাঁধাকপি ৮০ টাকা এবং লাউ ৫০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ক্রেতাদের অভিযোগ, বাজারে পণ্যের সরবরাহ থাকলেও দাম আশানুরূপ কমছে না। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় কয়েকটি সবজির দাম বেশি বলে মনে করছেন তারা।
পটলের দাম নিয়ে এক ক্রেতা জানান, গত বছর একই সময়ে ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে পটল কিনলেও এবার দাম অনেক বেশি। মাসের শুরুর দিকে পটলের দাম ১২০ টাকা কেজি পর্যন্ত উঠেছিল।”

আরেক ক্রেতা তাইফুল জানান, সবজি, মাছ, মাংস ও মুদি পণ্যের দাম মিলিয়ে সংসারের ব্যয় বেড়েছে। আয় অনুযায়ী খরচ সামলানো কঠিন হয়ে পড়ছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম এভাবে বাড়তে থাকলে সীমিত আয়ের পরিবারগুলোকে আরও বেশি আর্থিক চাপে পড়তে হবে বলে মনে করেন তিনি।
বিক্রেতারা বলছেন, সবজির দাম কমানোর ক্ষেত্রে পাইকারি ক্রয়মূল্য ও পরিবহন খরচ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পাইকারি বাজারে বেশি দামে পণ্য কিনতে হলে খুচরা পর্যায়ে দাম কমানো কঠিন।

মাছ-মাংসের বাজারেও স্বস্তি নেই

সবজির পাশাপাশি মাছ ও মাংসের বাজারেও দাম কমার তেমন লক্ষণ নেই। তথ্য অনুযায়ী, দেশি মুরগির কেজি ৬৬০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি ১৯০ টাকা এবং কক মুরগি ৩৩০ টাকা। গরুর মাংসের কেজি ৮২০ টাকা এবং খাসির মাংস ১ হাজার ২০০ টাকা।

মাছের বাজারে রুই মাছের কেজি ৩৫০ থেকে ৪২০ টাকা। আকারভেদে তেলাপিয়া ও বড় পাঙ্গাসের কেজি ৩০০ টাকা। চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ টাকা এবং মলা মাছ ৫০০ টাকা কেজি দরে।”

মাছ ও মাংসের এসব দাম আগের মতোই রয়েছে। ফলে সবজির পাশাপাশি প্রাণিজ আমিষ কিনতেও ক্রেতাদের বাড়তি ব্যয় বহন করতে হচ্ছে। বিশেষ করে সীমিত আয়ের পরিবারগুলোর জন্য প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় মাছ, মাংস ও সবজি রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে।#BL


এই বিভাগের আরও খবর