স্বাধীনতার পর অবকাঠামোগত ও অর্থনৈতিক রূপান্তরের এক ঐতিহাসিক মোড়ে দাঁড়িয়েছে মোংলা বন্দর। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের কোন সরকার প্রধান দুইবার সফর করলেন মোংলা বন্দর, তাও আবার দুই সপ্তাহের ব্যবধানে। এর আগে ১৮ অক্টোবরের পর দ্বিতীয়বারের মতো মোংলা বন্দর সফরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
এবারের সফরে যোগ হয়েছে বাগেরহাটের খানজাহান আলী (রহ)-এর মাজার শরীফ। এত অল্প সময়ে কোন সরকার প্রধানের দুইবারের এই সফরকে ঘিরে স্বপ্ন দেখছেন অবহেলিত এই উপকূলের বাসিন্দারা। বাগেরহাটবাসীর চাওয়া রেললাইন-মেডিকেল কলেজ-বিমান বন্দর, বিশ্ববিদ্যালয়। আর মোংলা বন্দর ব্যবসায়ীদের আশা প্রধানমন্ত্রীর এই আগমনের মধ্য দিয়ে মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি বন্দর এলাকায় সৃষ্টি হবে নতুন নতুন কল কারখানা ও শিল্প প্রতিষ্ঠান যার মাধ্যমে এই অঞ্চলের অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। টেকসই ভেড়িবাঁধ নির্মাণ ও সুপেয় পানির সংকট নিরসনেরও দাবি জানিয়েছেন উপকূলের বাসিন্দারা।”
আজ বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) তাঁর এই সফরকে কেন্দ্র করে বন্দর চ্যানেল পাড়ের উপকূলীয় অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে সৃষ্টি হয়েছে অভূতপূর্ব প্রাণচাঞ্চল্য। সফরে প্রধানমন্ত্রী মোংলা বন্দরের সুবর্ণ জয়ন্তীকালীন সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ৪ হাজার ৬৮ কোটি ২৩ লাখ টাকার অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন এবং চীনের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি ও বিশ্বখ্যাত নির্মাণ প্রতিষ্ঠান ‘চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশন’ (সিআরসিসি)-এর সঙ্গে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’ কর্তৃপক্ষের এক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী।”সংশ্লিষ্টদের মতে, সরকারের এই মেগা উদ্যোগ ও বাণিজ্যিক চুক্তিগুলো বাস্তবায়িত হলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় অভ্যন্তরীণ শিল্প খাত শক্তিশালী হওয়ার পাশাপাশি আঞ্চলিক পরাশক্তিগুলোর সঙ্গে সরাসরি ভূ-রাজনৈতিক ও আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে বাংলাদেশ এক কৌশলগত সুবিধাজনক অবস্থানে পৌঁছে যাবে।
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় হেলিকপ্টারযোগে বন্দরে পৌঁছাবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর তিনি ৯ নম্বর জেটি প্রাঙ্গণে মেগা ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও আন্তর্জাতিক দ্বিপক্ষীয় চুক্তি সম্পাদন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। এই কর্মকান্ড বাস্তবায়নে ৪,০৬৮ কোটি ২৩ লাখ টাকা একটি মেঘা প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এই প্রকল্পে চীন সরকার ৩,৫৯২ কোটি ৯০ লাখ টাকা ঋণ সহায়তা প্রদান করছে এবং বাংলাদেশ সরকার অর্থায়ন করছে ৪৭৫ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। গত ১০ অক্টোবর দুই দেশের আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত চুক্তির ভিত্তিতে এই প্রকল্প আলোর মুখ দেখছে।”মোংলা বন্দর স¤প্রসারণ প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে অবকাঠামো সুবিধা, পরিমাপ ও সক্ষমতা, ৩৬৮ মিটারের দুইটি আধুনিক কনটেইনার জেটি, ৮৭, ৬০০ বর্গমিটারের লোডেড কনটেইনার ইয়ার্ড, ৩৪, ১৭০ বর্গমিটানের খালি কনটেইনার ইয়ার্ড, ৪২৬০ বর্গমিটারের বিপজ্জনক পণ্য হ্যান্ডলিং বিশেষায়িত ইয়ার্ড, আধুনিক গ্যান্ট্রি ক্রেনসহ ৪৯ টি অন্যান্য যন্ত্রপাতি সংগ্রহ করা হবে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে নতুন ২টি জেটি ও আনুষঙ্গিক অবকাঠামো যুক্ত হওয়ার ফলে বন্দরের বার্ষিক পণ্য হ্যান্ডলিং সক্ষমতায় এক বিশাল মুনাফা আসবে। বন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী জাহাজ খালাস গতি: বারবে, প্রতি ঘণ্টায় ৩০টিরও বেশি কনটেইনার খালাস ও লোড করা সম্ভব হবে। যাতে মোংলা বন্দর বছরে প্রায় ৪ লাখ টিইইউজ কনটেইনার হ্যান্ডিলিং করা সম্ভব হবে।
এছাড়া, নদী ড্রেজিংয়ের ড্রাফট বৃদ্ধির ফলে সরাসরি গভীর সাগরের বেশী ড্রাফটের বাণিজ্যিক জাহাজ ভেড়ানো, দীর্ঘমেয়াদি পণ্য সংরক্ষণ ও অতি দ্রুত খালাস প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যাবে।
প্রধানমন্ত্রীর সফরের অন্যতম মূল আকর্ষণ ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’ ও চীনা প্রতিষ্ঠান ‘সিআরসিসি’-এর সমঝোতা স্মারক। এর মাধ্যমে মোংলা বন্দরকে কেন্দ্র করে যোগাযোগ ও রজিস্টিকস খাতের দীর্ঘমেয়াদী রূপরেখা তৈরি হচ্ছে।”মোংলা উপজেলার জয়মনি এলাকার বাসিন্দা মোঃ রসুল বলেন, মোংলা উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক নদী ভাঙন রয়েছে। সুপেয় পানিরও সংকট রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বার বার আসছেন আমরা বিশ্বাস করি আমাদের এলাকার উন্নয়ন হবে। নদী ভাঙ্গন, সুপেয় পানির সংকটের স্থায়ী সমাধান হবে। শুধু মোংলা নয়, রামপাল, মোরেলগঞ্জ, শরণখোলা ও বাগেরহাট সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় রয়েছে নদী ভাঙন ও সুপেয় পানির সংকট।
বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপি নেতা ব্যারিষ্টার শেখ মোঃ জাকির হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের ক্ষমতা গ্রহণ করবার আগেই তিনি ৩১ দফা প্রনয়ন করেছিলেন। সারাদেশে সে সময় উন্নয়ন উনি চান। তিনি বিশেষ করে আমাদের এই অঞ্চলের মোংলা পোর্ট, সুন্দরবন কেন্দ্রিক যে উন্নয়ন সেই উন্নয়নকে তড়িৎ করবার জন্য ইতিমধ্যেই তিনি প্রায় ১৫ দিনের কম সময়ের মধ্যে ২বার মোংলা বন্দর সফর করছেন। খুলনাতে সফর করছেন। ৫ নভেম্বর খান জাহান আলী (রহঃ) মাজার জিয়ারত করবেন। আমাদের প্রধানমন্ত্রী কাছে প্রত্যাশা তার যে কমিটমেন্ট সারাদেশের মতো বাগেরহাটে একটা মেডিকেল কলেজ হবে এখানে একটা বিশ্ববিদ্যালয় হবে।এছাড়া এখানে যে অবকাঠামো গত উন্নয়ন তড়িৎ হবে। প্রাকৃতিক সম্পদ ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনায় সমৃদ্ধ বাগেরহাট জেলায় প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ নজরদারি ও নতুন উন্নয়ন কর্মসূচির ঘোষণা এলে পুরো দক্ষিণ-পশ্চিমের অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন আসবে বলে আশা করেন তিনি।”বাগেরহাট জেলা বিএনপি’র আহবায়ক এটিএম আকরাম হোসেন তালিম বলেন, প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার হাত থেকেই বিমানবন্দরের ভিত্তিপ্রস্তর করা হয়েছিলো। বিমানবন্দর টি পূর্ণাঙ্গ রূপে চালু করার দাবি জানাচ্ছি। খানজাহান আলী রহমাতুল্লাহ এর পণ্যভূমি বাগেরহাট ঐতিহাসিক নিদর্শন রয়েছে।এইসব নিদর্শনগুলো আর্কোলজির মাধ্যমে যদি নেয়া হয় তাহলে আমার মনে হয় এগুলো সুন্দরভাবে সংস্কার হবে এখানে একটা পর্যটক স্পট হিসেবে এটা আরো সুন্দর হবে।
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর এই আগমনকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন মোংলা বন্দর ব্যবসায়ীরা। বাংলাদেশ শিপিং এজেন্ট এ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান ক্যাপ্টেন এম রফিকুল ইসলাম বলেন, নানা কারণে মোংলা বন্দর দীর্ঘদিন অবহেলিত ছিল। নদী ও চ্যানেলের নাব্যতা কমে যাওয়ায় মোংলা বন্দরে ১০ মিটার ড্রাফটের বড় জাহাজ আসতে পারে না। প্রধানমন্ত্রীর এই সফর মোংলা বন্দরের নাব্যতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। প্রধানমন্ত্রী এসব বিষয়ে উদ্যোগ নেবেন বলে দাবি এই ব্যবসায়ীর।”বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুড এক্সপোর্টার এ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তরিকুল ইসলাম জহির বলেন, মোংলা বন্দরের আমদানি-রপ্তানি বাড়াতে হলে চিংড়িকে গুরুত্ব দিতে। ইতোমধ্যে বাগেরহাট ও খুলনা থেকে চিংড়ি রপ্তানি হয়। চিংড়ির উৎপাদন বৃদ্ধিতের যদি সরকার ভর্তুকি দেয় এবং চাষিদের প্রশিক্ষনের মাধ্যমে দক্ষ করে তোলা হয় তাহলে এই অঞ্চল থেকে আরও বেশি চিংড়ি রপ্তানি সম্ভব। এর মাধ্যমে বৈদিশিক মুদ্রার আয় বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি মোংলা বন্দর দিয়ে আমদানি রপ্তানি বৃদ্ধি পাবে। আমরা আশাকরি সরকার প্রধান এসব বিষয়ে গুরুত্ব দিবেন।
মোংলা বন্দর বার্থ ও শিপ অপারেটর এ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক জুলফিকার আলী বলেন, প্রধানমন্ত্রী মোংলা বন্দর পরিদর্শনে এসে চীনের সঙ্গে চুক্তি হওয়া বন্দরের নতুন জেটি নির্মাণ এলাকা পরিদর্শন করবেন। প্রধানমন্ত্রীর কাছে দাবি জানাই, সঠিকভাবে বন্দর চ্যানেল ড্রেজিং হলে নাব্যতা বাড়বে, তাহলে বড় বড় জাহাজ এ বন্দরে আসতে পারবে।
এদিকে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে প্রধানমন্ত্রীর এই সফর মোংলা বন্দরকে আমদানি রপ্তানির হাব হিসেবে গড়ে তুলবে। মোংলা বন্দরে নতুন নতুন বিনিয়োগ আসবে বলে জানান মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা।”তিনি বলেন, কন্টেইনার জেটির নির্মান কাজের উদ্বোধন করবেন। মোংলা ও এই অঞ্চলে প্রচুর বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। তারই অংশ হিসেবে মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য নানা প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। এসব প্রকল্পের বেশকিছু কার্যক্রম প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করবেন। আশাকরি এর মাধ্যমে মোংলা বন্দরের সক্ষমতা যেমন বাড়বে, তেমনি এই অঞ্চলের অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এবারের সফরের সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ অংশ নভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন কর্পোরেশন (সিআরসিসি) এর চেয়ারম্যানের মধ্যে সমঝোতা স্মারক অনুষ্ঠান।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী এবং বাগেরহাট-৩ আসনের সংসদ সদস্য ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, চীনা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এই বৈশ্বিক সমঝোতার ফলে মোংলা বন্দরের সঙ্গে আধুনিক রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা যুক্ত করার ঐতিহাসিক প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হবে। ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপো (আইসিডি) থেকে সরাসরি রেলপথে পণ্য মোংলা বন্দরে আনা এবং তা দ্রুত জাহাজে আন্তর্জাতিক রুটে প্রেরণের যে বৈপ্লবিক সুবিধা তৈরি হবে, তা রূপসা ও পশুর নদীবেষ্টিত এই সমগ্র অঞ্চলের বাণিজ্যিক চিত্র পুরোপুরি বদলে দেবে।
মোংলা বন্দরের তথ্য অনুযায়ী গেল, গত ১০ অক্টোবর বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে এ প্রকল্প বাস্তবায়নে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। প্রকল্পটির মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার ৬৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে বাংলাদেশ সরকার দেবে ৪৭৫ কোটি টাকা। বাকি ৩ হাজার ৫৯৩ কোটি টাকা অর্থায়ন করবে চীন।প্রকল্পের আওতায় ৩৬৮ মিটার দৈর্ঘ্যরে কনটেইনার টার্মিনাল ও ইয়ার্ড নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি বিপজ্জনক পণ্য (ডেঞ্জারাস কার্গো) হ্যান্ডলিংয়ের ব্যবস্থাও থাকবে। নতুন কনটেইনার ইয়ার্ডে ৪৯টি যন্ত্রপাতি যুক্ত করা হবে। এর মাধ্যমে ঘণ্টায় ৩০টির বেশি কনটেইনার খালাস করা সম্ভব হবে। সব মিলিয়ে বছরে চার লাখ টিইইউ (২০ ফুট সমমানের কনটেইনার) হ্যান্ডলিংয়ের সক্ষমতা অর্জন করবে মোংলা বন্দর।
বন্দর ব্যবহারকারী ও ব্যবসায়ীদের মতে, আধুনিক লজিস্টিকস হাব, অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইঊতঅ) এবং সড়ক-রেল নেটওয়ার্কের সমন্বয় নিশ্চিত করতে পারলে অভ্যন্তরীণ ব্যবহারের পাশাপাশি প্রতিবেশী ভারত, নেপাল ও ভুটানের আন্তর্জাতিক ট্রানজিট বাণিজ্যের প্রধান কেন্দ্রে পরিণত হবে এই মোংলা বন্দর।
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে দিনব্যাপী এই গুরুত্বপূর্ণ সফরের কর্মসূচিতে সকাল ১০টায় হেলিকপ্টারযোগে মোংলা বন্দরে আগমন ও ৯ নম্বর জেটিতে সিআরসিসির সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠান। সকাল ১ সাড়ে ১০টায় ৪,০৬৮ কোটি টাকার কনটেইনার জেটি ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন কাজের আনুষ্ঠানিক ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, সকাল সোয়া ১১টায় সড়ক পথে বাগেরহাটের হযরত খানজাহান আলী (রহঃ)-এর মাজার জিয়ারত। বিকেল ৩টায় খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় আয়োজিত জাতীয় শিশু-কিশোর ক্রীড়াপ্রতিভা অন্বেষণ কর্মসূচি ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২’-এর জমকালো উদ্বোধন।”
দুই সপ্তাহের ব্যবধানে প্রধানমন্ত্রীর পর পর দু’টি সফর যার মধ্যে গত ২২ অক্টোবরের প্রাথমিক মোংলা বন্দর ও প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন অন্তর্ভুক্ত ছিল। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলকে কেন্দ্র করে নতুন অর্থনৈতিক বেল্ট গড়ে তোলার যে জাতীয় পরিকল্পনা তা এখন রূপায়নের চূড়ান্ত পর্যায়ে। সুপরিকল্পিত এই মেগা উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বন্দর কেন্দ্রিক শিল্পায়ন ও স্থানীয় বিপুল জনসংখ্যার কর্মসংস্থানের মধ্য দিয়ে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে।#sm